বিস্তারিত :-




বিহারের অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in

 

বিহার

 বিহার সম্বন্ধে নানান ধরনের জানা অজানা কিছু কথা আমি আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি

                    এর সাহায্যে আপনারা বিহার সম্বন্ধে নানান কিছু জানতে পারবেন এবং এর সম্বন্ধে ধারণা লাভ করতে পারবেন

                    

বিহারের অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in


বিহার রাজ্য গঠন:

 বিহারের রাজ্য গঠন হয়েছিল ২২ মার্চ, ১৯১২ সালে

 

বিহারের আয়তন:

বিহার এই রাজ্যের আয়তন হল ৯৪,১৬৩ বর্গ কিলোমিটার (৩৬,৩৫৭ বর্গমাইল)। অন্যদিকে জনসংখ্যার বিচারে বিহার ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম রাজ্য

 

 বিহারের জনসংখ্যা:

 বিহারের জনসংখ্যা (২০১২) অনুযায়ী মোট ৯৯.০২ মিলিয়ন

 

 বিহারের জনঘনত্ব:

 রাজ্যগুলির মধ্যে জনঘনত্বের বিচারে সবচেয়ে প্রথমে আছে বিহার, আর তারপরেই পশ্চিমবাংলা। আর এই দুই রাজ্যে জনঘনত্ব যথাক্রমে ১,১০২ ও ১,০২৯

 

বিহারের ধর্ম:

বিহার রাজ্যের ধর্ম হলো ইসলাম ধর্ম

 

বিহার রাজ্যের সাক্ষরতার হার:

 বিহারের সাক্ষরতার হার তেলেঙ্গানা থেকেও কম। যথা বিহারের সাক্ষরতার হার হচ্ছে ৭০.৯ শতাংশ

 

 বিহারের ভাষা:

 বিহারের প্রজ্ঞাপিত বনাঞ্চলের পরিমাণ ৬,৭৬৪.১৪ বর্গমিটার যা এই রাজ্যের ভৌগোলিক আয়তনে ৬.৮ শতাংশ। এই রাজ্যের সরকারি ভাষা হিন্দি ও উর্দু। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের মাতৃভাষা অঙ্গিকা, ভোজপুরি, মাগধি, মৈথিলী, ও বজ্জিকার এর মধ্যে যেকোনো একটি বিহারী ভাষা

 

বিহার জেলার কৃষি ফসল:

 চাল, গম, মকাই, ডাল, সরষে আর কলা ইত্যাদি বিহারে উৎপাদিত ফসলের ৯০% প্রধানত বিক্রি হয়ে দালালদেরিই কাছে, আর গ্রামে বসেই বিক্রি হয় বাকি অংশ। 


এর তথ্য ২০১৯ সালে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ অ্যাপ্লাইড ইকোনমিক রিসার্চ (NCAER) থেকে প্রসারিত কৃষি নিদানবিদ্যার ওপর এক গবেষণা থেকে প্রাপ্ত। 


এছাড়াও বিহারের চাষের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা এটা বেড়েছে ২০০৬ সাল থেকে যখন রাজ্যে কৃষি উৎপাদন বিপণন আইন ১৯৬০ (Bihar Agriculture Produce Market Act,1960) রদ করে দেয় বিহার সরকার। তখন রাজ্যে মান্ডি ব্যবস্থা উঠে যায়

 

 বিহার জেলার প্রধান প্রধান নদী:

 এই রাজ্যের উত্তরে নেপাল রাষ্ট্র ও দক্ষিণে ঝাড়খন্ড রাজ্য। বিহারের পূর্ব দিকে পশ্চিমবঙ্গের আদ্র জলবায়ু অঞ্চল এবং পশ্চিমে উত্তর প্রদেশের প্রায় আদ্র জলবায়ু অঞ্চল অবস্থিত। এর ফলে বিহারে জলবায়ু, অর্থনীতি এমনকি সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য উক্ত রাজ্য জয়ের মাঝামাঝি স্তরের। বিহারের সমভূমি অঞ্চল এই রাজ্যের পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত গঙ্গা নদী কর্তৃক দ্বিধাবিভক্ত

 

বিহারের পর্বত:

 মন্দার পার্বত, মন্দার হিল নামেও পরিচিত এটি বিহার রাজ্যের ভাগলপুর বিভাগের অন্তর্গত বাঁকা জেলায় অবস্থিত একটি ছোট পর্বত। এটি প্রায় ৭০০০০ ফুট উঁচু। শকুন পিক এছাড়াও হিসেবে পরিচিত পবিত্র ঈগল পিক বা Gadhrakuta মধ্যে বুদ্ধ এর প্রিয় কি পিছু হটে গেল      

 Rajagahaএটি তার অনেক বক্তৃতার দৃশ্য ছিল। রাজগীর ভারতের বিহারে অবস্থিত। এটি এমন নামকরণ করা হয়েছে কারণ একটি ডানা ভাঁজ করে থাকা শকুনের মতো

 

 বিহারের রেলপথ:

 মনিহারি কাটিহার রেললাইন, গোপালগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন, ফুলওয়ারিয়া ভাতনি রেললাইন প্রভৃতি

 

বিহার রাজ্যের বিধানসভা আসন:

 বিধানসভার সদস্য পদের মোট শক্তি ছিল ৩৩১ জন, একজন মনোনীত সদস্য সহ। বিহার পুনর্গঠন আইন অনুসারে সংসদে একটি আইন দ্বারা ঝাড়খণ্ডের একটি পৃথক রাজ্য গঠনের সাথে সাথে, বিহার বিধানসভার শক্তি ৩২৪ থেকে কমিয়ে ২৪৩ সদস্য করা হয়েছিল। ২৪৩ টি আসনের মধ্যে ৩৮ এসসি এবং ২টি এসটি সংরক্ষিত আসন রয়েছে

 

বিহার রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েত:

 বিহারে মোট গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা ৮,৩৮৬। রাজ্যের পঞ্চায়েতি রাজ আইন অনুযায়ী পঞ্চায়েতগুলিকে বাণিজ্য, পেশা, জীবিকা, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, জল, আলো ইত্যাদি ক্ষেত্রে কর সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হয়েছে

 

বিহারের থানা:

 বিহারে টোটাল রয়েছে ১১০টি থানা

 

বিহারের পৌরসভা:

 জমুই ভারতের বিহার রাজ্যের জামুই জেলার একটি শহর ও পৌরসভা এলাকা

 

বিহারের উৎসব:

 রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বরগুনার তালতলী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বুধবার বৌদ্ধদেব সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা উদযাপিত হয়েছে। 


বিহারের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বাতি প্রজ্জলন ও ফানুস উড়ানোরসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই উৎসব উদযাপিত হয়েছে। 


জেলার বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে প্রবারণা উপলক্ষে সকাল থেকে পঞ্চশীল পালন, ধর্মীয় দেশনা,৮৪ হাজার বাতি প্রজ্জ্বলন, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, বৌদ্ধ মূর্তি দান , তিব্র দান সহ নানান ধরনের ধর্মীয় দান করা হয়

 

বিহার রাজ্যের দর্শনীয় স্থান:

 মৌর্য আমলের প্রাসাদ,৮০টি স্তম্ভ বিশিষ্ট অ্যাসেম্বলি হল, বৌদ্ধ মনাস্ট্রি আনন্দ বিহার। খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালে সংগ্রহ নিয়ে রয়েছে মিউজিয়াম। গান্ধী ময়দান শহরের হৃদপিণ্ড।


 গোলঘর তথা কেন্দ্রীয় শস্যাগার- ১৭৭০ এর মন্বন্তরের বিভীষিকার সন্ত্রস্ত ব্রিটিশ সরকার ফৌজের জন্য খাদ্য শস্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৭৮৬ তে গান্ধী ময়দানের পূর্বে গঙ্গার তীরে গড়ে ওঠা গোলঘর। 


পটনা মিউজিয়াম-বুধ- মাগে, মোগল ও রাজপুত শৈলীতে তৈরি। দেখুন বিশ্বের বৃহত্তম বৃক্ষ ফসিল। কুমরাহর-এখানে কুমরাহড়, ভিকনাপাহাড়ি, বুলন্দি বাগে রাজধানী মগধের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। 


সদাকত আশ্রম-প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ এর বসতবাটি। শহীদ-কি-মকবরা - এটি হলো নবাব সিরাজের তৈরি সাদা কালো পাথরের পিতার স্মারক। 


পটনা সাহিব-পটনা ঝাউগঞ্জে দশম শিখ গুরু গোবিন্দ সিং এর জন্মস্থান এ গড়ে উঠেছে শ্রী হরমন্দির সাহিব বা পটনা সাহিব। শের শাহী মসজিদ- হরমন্দির লাগোয়া দুর্গের ধ্বংসাবশেষের উপর আফগান স্থাপত্যের শের শাহ সুরিরগড়া প্রাচীন মসজিদ। 


রাস্তাজুড়ে শেরশাহের কিল্লা হাউস। আগম কুয়া-সম্রাট অশোক 46 ভাইকে হত্যা করে এই কুয়োতে ফেলে সিংহাসনে বসেন

 

বিহারের ইতিহাস:

বিহারের ইতিহাস উত্তর ভারত এবং পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বৈচিত্রময় ইতিহাসগুলির মধ্যে একটি। বিহার তিনটি পৃথক অঞ্চল নিয়ে গঠিত। 


প্রত্যেকটি অঞ্চলের নিজস্ব স্বতন্ত্র ইতিহাস এবং সংস্কৃতি রয়েছে। অঞ্চল তিনটি হল মগধ, মিথিলা এবং ভোজপুর।


বিহারের গুপ্ত রাজবংশের সাংস্কৃতিক একসময়কার যুগকালের সভাপতিত্ব করে যা আজকে ভারতের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত যা আমরা জানতে পারি। 


দেবপালের রাজত্বকালে একবার পাল সাম্রাজ্য পাটলিপুত্রে তাদের রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। ১৫৪০ খ্রিষ্টাব্দে মধ্যযুগীয় সময়কালে সুরি রাজবংশের উত্থান পর্যন্ত ভারতীয় ইতিহাসে বিহারের খুব ছোট ভূমিকা পালন করে।


১৯৪৭ সালের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে, বিহার ভারতীয় ইউনিয়নের একটি মূল রাজ্য হিসাবে অবস্থান করছে বলে আমরা জানতে পারি

 

বিহারের প্রাচীন নাম:

বিহারের প্রাচীন নাম হল ভিহারা যার অর্থ হলো আশ্রম‌

 

বিহারের অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in

No comments: