বিস্তারিত :-




January 07, 2022

আসামের অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in

 

আসাম সম্বন্ধে নানান তথ্য

 আসাম সম্বন্ধে কিছু জানা অজানা তথ্য আমি আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি।

              এর সাহায্যে আপনারা এর সম্বন্ধে বিশেষ কিছু জানতে পারবেন এবং ধারণা লাভ করতে পারবেন।

 

আসামের রাজ্য গঠন:

 আসাম রাজ্য গঠিত হয়েছিল ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে।

 

আসামের জনসংখ্যা:

 আসামের ২০১১ সালের সর্বমোট জনসংখ্যা হল ৩,২৯,০০,০০০।

 

আসামের জনঘনত্ব:

 আসামের সর্বমোট জনঘনত্ব হলো ৩৯৮/বর্গ কিমি (১,০৩০/বর্গমাইল)।

 

আসামের সাক্ষরতার হার:

 স্বাক্ষরতার দিক থেকে দেখলে গেলে আসামে সাক্ষরতার হার হল উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এই রাজ্যে ৮৫.৯%।

 

আসামের ভাষা:

 ১৮৩৬ সালে বাংলা ভাষাকে আসাম রাষ্ট্রভাষা করা হয়। বর্তমানে অসমীয়া ভারতের আসাম রাজ্যের সরকারি ভাষা এবং রাজ্যের সমস্ত কর্মকাণ্ড এটি ব্যবহৃত হয়। আসামের অধিবাসী আসামের ভাষাকে অসমীয়া নামে আখ্যায়িত করা হয়। তবে আসামের এক-তৃতীয়াংশ অধিবাসী বাঙালি।

 

আসামের প্রধান প্রধান নদী:

 ব্রহ্মপুত্র ভারতের তথা আসামের এক প্রধান নদী। আসামের বেশিরভাগ নদীগুলি দূষিত। আসামে দুইটি নদী বরাক ও সোনাই নদী ছাড়া সমস্ত নদী দূষিত। এই নদী গুলির মধ্যে রয়েছে আরো ও ৪৪টি নদী। যেমন ভরালু, বরসোলা, দীপর বিল, কামালপুর, বারই,বেগা,বেকি,ভোগদৈ,বগীনদী,বরবিল,বিল মুখ,জিয়া,ভরালি প্রভৃতি নদী।

 

আসামের জেলার কৃষি ফসল:

 ১৩২৭০০ হেক্টর জমির ভৌগোলিক অঞ্চল সহ হাইলাকান্দি জেলা আসামের বরাক উপত্যাকা কৃষি জলবায়ু অঞ্চলের ১৯.২৬% এলাকা দখল করেছে। আসামে উৎপাদিত ফসল গুলি হল ধান, মটর, ফরাসি সিম, সরিষা, তিসি, তিল, আলু, মিষ্টি আলু, মরিচ, হলুদ, গোলমরিচ। এছাড়াও কিছু ফল ও উৎপাদিত হয় নারকেল, আনারস, লিচু, বাদাম, পেয়ারা, জ্যাক ফল, আসামি লেবু, কলা, পেঁপে প্রভৃতি।

 

আসামের বিধানসভা আসন:

 ২০২১ আসাম বিধানসভা নির্বাচন ছিল আসামের ১৫ তম বিধানসভা নির্বাচন যা অনুষ্ঠিত হয় ২৭ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত, ১২৬ জন বিধায়ক নির্বাচনের জন্য।

 

আসামের লোকসভা আসন:

 আসামের মোট লোকসভা আসন ১৪টি।

 

আসামের ইতিহাস:

 আসামের প্রথমে রয়েছে প্রগৈতিহাসিক যুগ, তারপর আদি যুগ ও মধ্যযুগ, তারপর আসে বিট্রিশ আসাম, তারপরও স্বাধীনতার পরবর্তী।আসামের ইতিহাস ১৮২৪ সালে আসাম প্রথম আংলো বার্মিজ যুদ্ধের পরে ব্রিটিশ বাহিনী কর্তৃক দখল হয়েছিল এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৮২৬ এর ইয়াণ্ডাবু সন্ধি মাধ্যমে ব্রিটেনের হাতে তুলে দেয়। ১৮৩২- ১৮৩৮ সালের অক্টোবর অবধি আসাম করদ রাজ্যটি উচ্চ আসামি স্থানান্তর করা হয়েছিল এবং ব্রিটিশরা নিম্ন আসামে রাজত্ব করেছিল।১৯৭২ সালে অরুণাচল প্রদেশ ও মিজোরাম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে গঠিত হয়। পরবর্তী ১৯৮৬ সালে তা পূর্ণ রাজ্যের রূপ পায়।

 

আসামের উৎসব:

 আসাম হলো বিভিন্ন উৎসব ও মেলার ভূমি। বিহু হলো আসামে মানুষদের প্রধান ভাষা। জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে অসমীয়রা বিহু পালন করে।এছাড়াও রয়েছে দুর্গাপূজা, কালীপূজা, দীপান্বিতা, কামাখ্যা মেলা, মে-ডাম-মে-ফী, ঈদ, মহরম, শংকরদেবের জন্মোৎসব, বৈচাগু, আলি আঃয়ে লৃগাং, বাইখু, রংকের, জোনবিল ইত্যাদি পালন করা হয়।

 

আসামের দর্শনীয় স্থান:-

 আসাম লাল নদের এবং নীল পাহাড়ের দেশ নামে পরিচিত। আসামে বহু দর্শনীয় স্থান রয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্রীয় উদ্যান, মন্দির, ঐতিহাসিক স্থান, চা বাগান, পাহাড় প্রভৃতি জায়গা। আসামে দর্শনীয় স্থান 


কামাখ্যা মন্দির: এটি ভারতের তান্ত্রিক বৌদ্ধদের একটি আসন। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে পার্বতী দেহের যোনি এখানে পড়েছিল। তারপর থেকে এটি একটি পবিত্র শক্তিপীঠ হিসেবে পরিচিত হয়। 


হাফলং:  এটি একটি চিত্রানুগ শৈল শহর। এখান থেকে নিচে রামধনু দেখা যায়। হাফলং থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জটিঙ্গা পরিযায়ী পাখিদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার জন্য বিখ্যাত। 


শিব সাগর: এই ঐতিহাসিক শহরের কেন্দ্রে ২০০ বছর বয়সি শিবসাগর নামক এক জলাশয় রয়েছে। 


মাজুলী দ্বীপ: ব্রহ্মপুত্র নদের মধ্যস্থলে অবস্থিত, এটি পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ। 


মানস জাতীয় উদ্যান: মানস নদীর তীরে ব্যাঘ্র সংরক্ষণের জন্য সুপরিচিত এছাড়াও এটি একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। 


কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান: এটি একশৃঙ্গ গন্ডারের আশ্রয়স্থল এটি একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। 


হাজো: এই স্থানটিকে হিন্দু, মুসলিম ও বৌদ্ধ ধর্মের একটি সংমিশ্রণ বলা যেতে পারে। 


অগ্নিগড়: এটি একটি আসামের আবশ্যক পরিদর্শন স্থান। এখান থেকে বহ্মপুত্র ও তেজপুর একটি মনোহর দৃশ্য দেখা যায়। 


ডিব্রুগঢ়-সিংফো: এখানে চা বাগান রয়েছে। বলা হয় যে ব্রিটিশরা এখান থেকে চা লাগানো শিখেছিল।

আসামের অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in



January 05, 2022

মেঘালয়ের অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in

মেঘালয়ের অজানা কিছু তথ্য:- 

 মেঘালয় সম্পর্কে কিছু জানা অজানা তথ্য আমি আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি

                এর সাহায্যে আপনারা মেঘালয় সম্বন্ধে জানতে পারবেন এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও ধারণা লাভ করতে পারবেন

 

মেঘালয়ের অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in

মেঘালয়ের রাজ্য গঠন :

 মেঘালয় রাজ্য গঠন হয়েছিল ২১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে

 

মেঘালয়ের আয়তন :

 মেঘালয়ের মোট আয়তন হল ২২,৪২৯ বর্গ কিমি (৮,৬৬০ বর্গমাইল)

 

মেঘালয়ের জনসংখ্যা:

 মেঘালয়ের মোট জনসংখ্যা হল (২০১২) অনুযায়ী ২.৬৫১ মিলিয়ন

 

মেঘালয়ের জনঘনত্ব:

 মেঘালয় সর্বমোট জনঘনত্ব হলো  ১৩০/বর্গ কিমি (৩৪০/বর্গমাইল)

 

মেঘালয়ের সাক্ষরতার হার:

মেঘালয় সর্বমোট সাক্ষরতার হার হল ৭৫.৮৪ %

 

 মেঘালয়ের ভাষা:

‌ খাসি ভাষা ও গারো ভাষা এই রাজ্যের প্রচলিত দুটি ভাষা। এছাড়াও রয়েছে বাংলা, হিন্দু, ইংরাজি প্রভৃতি ভাষা

 

 মেঘালয়ের প্রধান প্রধান নদী:

 মেঘালয় তে অনেক নদী রয়েছে। এদের অধিকাংশই বৃষ্টিনির্ভর ও মৌসুমী হয়। ধলা নদীটি ভারতের মেঘালয় এবং বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট জেলার একটি নদী। নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। মেঘালয় ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম মাওলিননং। এই গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে উমনগোট নদী। এছাড়াও রয়েছে সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, কালু, মিঁতড়ু প্রভৃতি

   

মেঘালয়ের রাজ্যের বিভিন্ন কৃষি ফসল:

 মানবসভ্যতার ধান চাষে মেঘালয় গুরত্বপূর্ন রয়েছে। ইয়ান গ্লোভার- ধান চাষের ইতিহাস সম্পর্কে বলেছেন ভারত ধান ও অন্যান্য ২০,০০০ প্রজাতির শস্য চাষের একটি প্রধান কেন্দ্র ভূমি এবং উত্তর পূর্ব ভারত ধান চাষের একটি অনুকূল স্থান। এছাড়াও এই সমস্ত স্থানে ঝুম ও  স্থানান্তর চাষ আজও প্রচলিত

 

‌ মেঘালয়ের পর্বত:

 আসাম রাজ্য দুটি জেলা: খাসি ও জয়ন্তিয়া পাহাড় এবং গারো পাহাড় নিয়ে মেঘালয় গঠিত হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে গারো পাহাড়

 

মেঘালয়ের বিধানসভার নির্বাচনক্ষেত্র:

 মেঘালয় সর্বমোট বিধানসভার নির্বাচনক্ষেত্র সংখ্যা হল ৬০

 

মেঘালয়ের সংসদীয় নির্বাচনক্ষেত্র:

 মেঘালয় সর্বমোট সংসদীয় নির্বাচন ক্ষেত্রের সংখ্যা হল ২

 

মেঘালয়ের সংসদীয় রাজ্যসভা আসন: 

 মেঘালয় সর্বমোট সংসদীয় রাজ্যসভার আসন হল ১টি

 

 মেঘালয়ের সংসদীয় লোকসভা আসন:

 মেঘালয় সর্বমোট সংসদীয় লোকসভা আসন হলো ২টি

 

মেঘালয়ের  নামকরণ:

  ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে পাহাড়ি অঞ্চল গুলি নিয়ে রাজ্য গঠনের সময় ভারত সরকার শিবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের দেওয়া মেঘালয় নামটি গ্রহণ করে এবং মেঘালয় নামক পূর্ণরাজ্যের জন্ম হয়। ভারতীয় সংবিধানের ষষ্ঠ তফসীল অনুসারে স্বায়ত্তশাসিত রাজ্যের ৩৭ সদস্যের আইনসভা থাকায় আইনটি ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দের ২ এপ্রিল কার্যকারী হয়

 

 মেঘালয়ের ইতিহাস:

মেঘালয় ইতিহাসে প্রথমে রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক যুগ। এই যুগে মেঘালয় সহ ভারতের অন্যান্য প্রতিবেশী রাজ্য গুলি প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি বিশেষ আগ্রহের বিষয়। নব্য প্রস্তর যুগ থেকে এখানে মানুষের বসবাসের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মেঘালয়ের পাহাড়ি অঞ্চল প্রত্নতাত্ত্বিক সময় থেকে মানুষের বসবাসের চিহ্ন বহন করছে

এরপর রয়েছে আধুনিক যুগ এই যুগে ঊনিশ শতকে ক্রিস প্রশাসনের অধীনে না আসা পর্যন্ত খাসি, গারো ও জয়ন্তিয়া উপজাতিদের নিজস্ব রাজ্য ছিল।


পরবর্তীকালে ব্রিটিশরা ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে মেঘালয়কে আসামের অন্তর্ভুক্ত করেন। ১৯১৯ এর ৫২ ধারা অনুযায়ী ভারতীয় গভর্নর জেনারেল-ইন-কাউন্সিল খাসি রাজ্যগুলি বাদ দিয়ে মেঘালয় অঞ্চল গুলিকে পশ্চাত্পদ এলাকা হিসেবে অংশগ্রহণ করে।


১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে সাংসদে উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চল আইন, ১৯৭১ পাশ হওয়ার পর মেঘালয়ের সায়ত্বশাসন রাজ্যকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা প্রদান করা হয়। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ২১ জানুয়ারি থেকে মেঘালয় নিজস্ব বিধানসভা গঠন করে পুর্নরাজ্যে পরিণত হয়

 

 মেঘালয়ের দর্শনীয় স্থান:

 ভারতের উত্তর-পূর্ব দিকের সবচেয়ে সুন্দর রাজ্যগুলির মধ্যে অন্যতম হলো জল পাহাড়ের মেঘালয়। মেঘালয় তে উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানগুলি হলো মাওলিনং গ্রাম, শিলং -মেঘালয়ের আকর্ষণ শিলং আর শিলংয়ের আকর্ষণ মাওলিনং গ্রাম। এখানে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বাড়িঘর আর পাহাড়ের কোলে লুকিয়ে আছে অফুরন্ত সৌন্দর্য।


এখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মাওলিনং ঝরনা। লাই লাতলুম গিরিখাত- মেঘালয়: যদি ট্রেকের সন্ধান করে থাকেন তবে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে লাই লাতুম গিরিখাত। এখানে পৌঁছে গেলে চারিদিকে অপরুপতা দেখে মুগ্ধ হওয়ার উপায় নেই।


ডাবল ডেকার জীবন্ত শেকড়: চেরাপুঞ্জি ভারতের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয় মেঘালয় চেরাপুঞ্জিতে। প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট এক বিশাল এই শিকড় কালের অন্তরে প্রকাণ্ড নিয়েছে সেতুটি। তাও আবার উপরে নিচে মোট সেতু সংখ্যা দুটি। 


লালং পার্ক: জোয়াই মেঘালয়ের জোয়াই থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে সবুজের রাজ্যে এই লালং পার্ক। ক্লান্ত চোখেকে প্রশান্তি দিতে এখানকার সবুজ ও তার তুলনা হয়না। এখানে সরকার একটি পার্কের উন্নয়নে কাজ শুরু করছেন।


ডন বক্সে সেন্টার অফ ইনডিজেনাস কালচার, মাউলাই, শিলং: এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় জিনিসটি হলো লাইব্রেরী সেকশন। উত্তর-পূর্ব ভারত আর তার ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে হলে এখানে এক না একদিন আসতে হবে।


মেঘালয় আর মেঘালয়ের ছয়টি অঙ্গরাজ্যের পূর্ণ কথন ধ্বনিত এখানকার প্রতিটি করিডোরে। উমিয়াম লেক, রি ভোই জেলা,: নংপোহ মেঘালয়ের রিভিউ জেলার নংপোহতে অবস্থিত মেঘালয় অন্যতম উইলিয়াম লেক সবাই বলতো এখানকার দেওয়া একটি বাঁধ থেকে এই হ্রদের সৃষ্টি। 


দ্যা এলিফ্যান্ট ফলস, শিলং: শিলং মেঘালয় যাদুর শহর। শ্রীলং উল্লেখযোগ্য জায়গাটি হল এলিফ্যান্ট ফলস বা ঐরাবত জলপ্রপাত। এরূপ নামকরণের পিছনে কারন আছে যথেষ্ট। এই জলপ্রপাতের কালো পাথরগুলো মিলিত হয়ে এক ঐরাবত আকৃতির সৃষ্টি করেছিল, সেই থেকে এর নাম দ্যা এলিফ্যান্ট ফলস

 

মেঘালয়ের অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in


January 03, 2022

গোয়ার অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in

গোয়া

   গোয়া সম্বন্ধে কিছু জানা অজানা তথ্য আমি আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি।

                   এর সাহায্যে আপনারা গোয়া সম্বন্ধে সবকিছু জানতে পারবেন এবং ধারণা লাভ করতে পারবেন।

 

 গোয়ার অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in

গোয়া রাজ্য গঠন :-- 

    গোয়া রাজ্য টি গঠন হয় ৩০মে১০৮৭

 

গোয়া রাজ্যের রাজধানী :-- 

    গোয়া রাজ্যের রাজধানী হল পানাজি ( পানাজিম )

 

গোয়া রাজ্যের আয়তন :-- 

    গোয়া রাজ্যের মোট আয়তন হল ৩.৭০২ বর্গ কিমি ( ১.৪২৯ বর্গ মাইল )

 

গোয়া রাজ্যের জেলা :-- 

    গোয়া রাজ্যের জেলার সংখ্যা ২টি যা হল - উওর গোয়া জেলা ও দশ

 

গোয়া রাজ্যের জনসংখ্যা :-- 

    গোয়া রাজ্যের মোট জনসংখ্যা হল ২০১১ সাল অনুযায়ী ১৪.৫৮.৫৪৫

 

গোয়া রাজ্যের ভাষা :-- 

    গোয়া রাজ্যের রাষ্টিয় ভাষা হল কোঙনী

 

গোয়া রাজ্যের ধর্ম :-- 

    গোয়া রাজ্যের ধর্ম হল হিন্দু ৬৬.১% , খ্রিষ্টান ২৫.১% , মুসলমান হল প্রায় ০.১% ছোট সংখ্যক সংখ্যা লঘুরা হল শিখ ধর্ম , জৈন বা বৌধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন

 

 গোয়ার রাজ্যের জনঘনত্ব:

      গোয়ার সর্বমোট জনঘনত্ব  ৩৯০/বর্গ কিমি (১,০০০/বর্গমাইল)

 

 গোয়ার রাজ্যের সাক্ষরতার হার:

     গোয়ার সর্বমোট সাক্ষরতার হার হল ৭৯.৩১%

 

 গোয়া রাজ্যের প্রধান প্রধান নদী:

     মান্ডবি এবং জুয়াড়ি গোয়া রাজ্যের দুটি প্রাথমিক নদী। মান্ডবী নদী যা মহাদায়ী বা মহাদেই নদী নামে পরিচিত। এছাড়াও রয়েছে তেরে- খোল, ছাপড়াকূসাবতি, শাল, তালপোনা

 

 গোয়ার রাজ্যের কৃষি ফসল:

      গোয়াতে চাল হল প্রধান খাদ্য ফসল এবং ডাল, রাগি এবং অন্যান্য খাদ্য ফসল ও বেড়ে যায়। মূল নগদ ফসল হলো নারকেল,কেশেন, শস্য, আখ এবং আনারস, আম ও কলা মত ফসল প্রভৃতি

  

গোয়ার রাজ্যের বিধানসভার নির্বাচনক্ষেত্র:

গোয়া রাজ্যের মোট বিধানসভার সংখ্যা  ৪০টি। 


 সংসদীয় নির্বাচনক্ষেত্র:

গোয়া রাজ্যের মোট নির্বাচন ক্ষেত্রের  সংখ্যা ২টি।

 

গোয়ার রাজ্যের দর্শনীয় স্থান:

 গোয়া ভারতের ক্ষুদ্রতম রাজ্য। গোয়া মনোরম সমুদ্র সৈকত এবং একটি সারাবছর অবকাশ অবধী মরশুম সরবরাহ করে। এটি হাজার হাজার পর্যটকদের হৃদয় মোহিত করে। 


গোয়ার কিছু কিছু আকর্ষণীয় স্থান গুলি হল কল্যাঙ্গুট বিচ: গোয়ার বৃহত্তম সমুদ্র টির কল্যাঙ্গুট বিচ একইভাবে "সৈকতের সার্বভৌম"হিসেবেও পরিচিত। এটি একটি বড় শান্ত সমুদ্রতীর। ডেল্টিন রয়্যাল ক্যাসিনো: ডেল্টিন রয়্যাল ক্যাসিনো হলো গোয়ার পাঞ্জিমের বৃহত্তম ক্লাব বোর্ড। 


এছাড়াও রয়েছে গ্র্যান্ড আইল্যান্ড, ক্যান্ডেলিম বীচ, টিটোর স্ট্রীট, ক্লাব কিউবানা, Mambos, চাপোড়া দুর্গ, আসভেম বিচ। 


এছাড়াও দক্ষিণ গোয়ার দর্শনীয় স্থানগুলো পালোলেম বিচ, বাটারফ্লাই বিচ, আগোণ্ডা সমুদ্র সৈকত, সেন্ট অ্যালেক্স চার্জ, শ্রীশান্ত দুর্গা মন্দির, তাম্বদি সূরলা মহাদেব মন্দির প্রভৃতি দর্শনীয় স্থান রয়েছে

 

গোয়ার রাজ্যের উৎসব:

  শিগমী বা শিশিরোউৎসব ভারতের গোয়া রাজ্যের হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে উদযাপিত একটি প্রধান বসন্ত উৎসব। একটি ভারতীয় হলেও দোলযাত্রা উৎসব এর একটি অংশ। যা গোয়ার কোম্কণী অধিবাসীরা উদযাপন করে। এছাড়াও গোয়াতে ঘুমট, গোকুল অষ্টমী,মান্দ,গোয়া কার্নিভাল প্রভৃতি উৎসব

 

গোয়া রাজ্যের ইতিহাস :--  

ইতিহাস এর দিক থেকে দেখলে গোয়া রাজ্যের ইতিহাস এ আমরা বিভিন্ন ধরনের কথা জানা যায় । গোয়াতে প্রাপ্ত রক আর্ট সভ্যতাগুলি ভারতে মানুষের জীবনের সবচেয়ে প্রাচীন চিহ্ন প্রদর্শন করে।


১৩১২ সালে, গোয়া দিল্লী সুলতানাত শাসনের অধীনে এসেছিল। এই রাজবংশের পতনের পরে এলাকাটি বেজাপুরের আদিল শাহের হাতে পড়ে যারা পর্তুগীজদের ভলহা গোয়া বা পুরাতন গোয়া নামে পরিচিত তাদের অকিজলিয়ারী রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।


১৯৪৭ সালে ভারত থেকে ব্রিটিশদের স্বাধীনতা লাভের পর ভারতীয় উপমহাদেশের পর্তুগিজ অঞ্চলগুলি ভারতে প্রবেশ করতে অনুরোধ জানায়। ১৯৮৭ সালের ৩০ শে মে, কেন্দ্রীয় অঞ্চল বিভক্ত হয়ে যায়, এবং গোয়া ভারতের ২৫-পঞ্চমাংশ রাষ্ট্র গঠিত হয় এবং দমন ও দিউ একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে রয়েছে। 

 

 গোয়ার অজানা কিছু তথ্য I onlinedairy.in